রোজা রাখা বা না রাখার দিক দিয়ে মোট ছয় প্রকার―

দুটিই পরবর্তী সময়ে রাখা ফরজ। কেউ কেউ এগুলোকে ওয়াজিবও বলেছেন। 

১. শাওয়ালের ছয় রোজা : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা আদায় করল- সে যেন সারা বছর রোজা পালন করল।’ (মুসলিম, ২৮১৫)

২. আরাফার দিন রোজা : রাসুল (সা.)-কে আরাফার দিনে, অর্থাৎ জিলহজ মাসের নবম তারিখে রোজা রাখা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আরাফা দিবসের রোজা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি, তা বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের পাপের কাফফারা হবে।’ (মুসলিম, ১১৬২)

৩. মুহররমের রোজা : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসের পর সর্বোত্তম রোজা হলো, আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ।’ (মুসলিম, ১১৬৩)

৪. আশুরার রোজা : আবু কাতাদা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-কে আশুরার রোজা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, ‘তা বিগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা।’ (মুসলিম, ১১৬২)

৫. শাবানের রোজা : আয়েশা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে শাবান মাস ছাড়া অন্য মাসে অধিক পরিমাণে নফল সিয়াম পালন করতে দেখিনি।’ (বুখারি, ১৯৬৯)

৬. প্রতি মাসে তিন রোজা : আবু হুরায়রা (রা.) রাসুল (সা.) সম্পর্কে বলেন, আমার বন্ধু আমাকে তিনটি বিষয়ের উপদেশ দিয়েছেন, প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোজা রাখা, দ্বি-প্রহরের পূর্বে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা ও নিদ্রার পূর্বে বিতিরের নামাজ আদায় করা।’ (বুখারি, ১৯৮১)

৭. সপ্তাহে দুই দিন রোজা : সপ্তাহে দুই দিন অর্থাৎ সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা পালন সুন্নত। আবু কাতাদা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-কে সোমবারে সিয়াম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বললেন, এ দিনে আমার জন্ম হয়েছে এবং এ দিনে আমাকে নবুওয়াত দেওয়া হয়েছে বা আমার ওপর কোরআন নাজিল শুরু হয়েছে।’ (মুসনাদে আহদম, ২২৫৪৯) 

সংগৃহীত