ঋণে জড়ানোর ব্যাপারে মহানবী (স.) আল্লাহর কাছে অত্যধিক আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (স.) সালাতে এই বলে দোয়া করতেন— হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে গুনাহ ও ঋণ থেকে পানাহ চাচ্ছি।

এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞেস করলো, (হে আল্লাহর রাসুল) আপনি ঋণ থেকে বেশি বেশি পানাহ চান কেন? তিনি জওয়াব দিলেন,

Table of Contents

ঋণমুক্তির দোয়া

একবার চতুর্থ খলিফা আলী (রা.)-এর কাছে এক ব্যক্তি ঋণ পরিশোধের জন্যে কিছু সাহায্য চায়। এ সময় আলী (রা.) তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে কয়েকটি শব্দ শিক্ষা দেব, যা আমাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন? যা তুমি পাঠ করলে আল্লাহই তোমার ঋণমুক্তির ব্যাপারে দায়িত্ব নেবেন, যদি তোমার ঋণ পর্বতসমানও হয়। এরপর আলী (রা.) ওই ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে বলেছিলেন। (তিরমিজি: ৩৫৬৩; মুসনাদ আহমদ: ১৩২১)

হাদিসে বর্ণিত ঋণমুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া হলো-

ঋণমুক্তির জন্যে বিশ্বনবী (স.) যে দোয়া পড়তেন

রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রায় সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলতেন—

(বুখারি: ৬০০৭)

সবসময় ঋণমুক্ত থাকতে যে দোয়া পড়বেন

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুশ্চিন্তার সময় নিম্নবর্ণিত দোয়া পড়তেন। (বুখারি: ২৮৯৩)

অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, রাসুল (সা.) এভাবে দোয়া করতেন—

ইসলাম মানুষের জীবনের সকল সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছে এবং এর উপযুক্ত সমাধানও দিয়েছে। ঋণমুক্তির জন্যে উপরোল্লেখিত দোয়া ও আমলগুলোর প্রতি সবার সচেতন থাকা উচিত।

সংগৃহীত