হাদিসের আলোকে সর্বোত্তম জিকির হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لا إله إلا الله). রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
সর্বোত্তম জিকির ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং সর্বোত্তম দুআ ‘আলহামদুলিল্লাহ’ 
এটি তাওহীদের মূল বাণী, যা ঈমান তাজা করে এবং কেয়ামতের দিন আমলের পাল্লা ভারী করবে

জিকির শব্দের অর্থ স্মরণ করা, বর্ণনা করা ইত্যাদি। ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর স্মরণকে জিকির বলা হয়। জিকির নফল ইবাদত। ইসলামে ফরজের পর নফল ইবাদতের গুরুত্ব অপরিসীম। কেয়ামতের দিন নফল ইবাদত সওয়াবের পাল্লা ভারি করবে।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

তবে বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে নিয়মিত নফল ইবাদত করা সম্ভব হয় না অনেকের পক্ষে। কিন্তু যেকোনো জায়গায়, যেকোনো মুহূর্তে আল্লাহর প্রশংসায় তার জিকির করা অনেক সহজ। হাদিসে সহজ এবং সর্বোত্তম জিকির সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 

আরেক হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন,

এছাড়াও হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে- একবার নবী (সা.) গাছের একটি ডাল ধরে ঝাঁকি দিলেন, কোনো পাতা পড়লো না। তিনি আবার ঝাঁকি দিলেন; এবারও কোনো পাতা পড়লো না। তবে তৃতীয়বার ঝাঁকি দেওয়ার পর অনেকগুলো পাতা ঝররো। তখন নবীজী (সা.) বললেন,

 

সংগৃহীত