• 0 Comments
শয়তানের আক্রমণ চারদিক থেকে

শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। মানুষকে সঠিক পথ থেকে সরিয়ে নিতে আল্লাহর কাছে ক্ষমতা চেয়ে নিয়েছে শয়তান। আল্লাহ তাআলা শয়তানের সে আবদার মনজুর করে তাকে অনেক বড় ক্ষমতা দিয়েছেন। শয়তানের পথভ্রষ্ট হওয়া ও মানুষের ক্ষতিতে ক্ষমতা লাভ ছিল তার অহংকার ও দাম্ভিকতা। কুরআনুল কারিমে এ ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। সুরা আরাফে আল্লাহ তাআলা বলেন- আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরি করেছি। তারপর আমি ফেরেশতাদেরকে বলছি- আদমকে সেজদা কর। তখন সবাই সেজদা করেছে, কিন্তু ইবলিস সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না। আল্লাহ বললেন- আমি যখন নির্দেশ দিয়েছি, তখন তোকে কিসে সেজদা…

Read more

  • 0 Comments
হযরত সোলায়মান (আ:)

হযরত দাঊদ (আঃ)-এর মৃত্যুর পর সুযোগ্য পুত্র সুলায়মান তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর আবির্ভাবের ন্যূনাধিক দেড় হাজার বছর পূর্বে তিনি নবী হন। সুলায়মান ছিলেন পিতার ১৯জন পুত্রের অন্যতম। আল্লাহ পাক তাকে জ্ঞানে, প্রজ্ঞায় ও নবুয়তের সম্পদে সমৃদ্ধ করেন। এছাড়াও তাঁকে এমন কিছু নেয়ামত দান করেন, যা অন্য কোন নবীকে দান করেননি। সুলায়মান (আঃ)-এর মোট বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তের বছর বয়সে রাজকার্য হাতে নেন এবং শাসনের চতুর্থ বছরে বায়তুল মুক্বাদ্দাসের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তিনি ৪০ বছর কাল রাজত্ব করেন (মাযহারী, কুরতুবী)। তবে তিনি কত বছর বয়সে নবী হয়েছিলেন…

Read more

  • 0 Comments
ম্যাসেজ – মিজানুর রহমান আজহারি

লেখক: মিজানুর রহমান আজহারি মূল্য : ৳ ৩০০ প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস বিষয় : টপ ট্রেন্ডিং , মাহে রমজান/সিয়াম/রোজা , সর্বাধিক বিক্রিত ইসলামিক বই ইসলাম এক নক্ষত্র, যার সংস্পর্শে সমস্ত আঁধার বিলীন হয়ে যায়, ঘোর অমানিশাও তাতে নিজেকে সঁপে দিয়ে আলোকোজ্জ্বল হয়। ইসলাম তো এমন এক জ্যোতিষ্ক, যা উৎসারিত হয়েছে আরশে আজিমের মহিমান্বিত রওশন থেকে। জাহেলিয়াত পরাজয় কবুল করেছিল ইসলামের বুকে আশ্রয় পেয়ে। এই পবিত্র দ্বীন আত্মাকে করেছে প্রশান্ত, চরিত্রকে করেছে নিষ্কলুষ, জীবনকে করেছে সার্থক, মানবতাকে দিয়েছে মুক্তি। এর আলোকচ্ছটা যে জমিনে পড়েছে, সেখানে অঙ্কুরিত হয়েছে শান্তির সবুজ তরু। এই…

Read more

  • 0 Comments
সুরা আল- ফাতিহার সংহ্মিপ্ত তাফসীর

মক্কায় অবতীর্ণ ১ম পূর্ণাঙ্গ সূরা। সূরা- ১, আয়াত ৭, শব্দ ২৫, বর্ণ ১১৩। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্রলাহ্‌র নামে (শুরু করছি)। (১) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ(২) যিনি করুণাময় কৃপানিধান।  الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ(৩) যিনি বিচার দিবসের মালিক। الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ(৪) আমরা কেবলমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং কেবলমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।  مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ(৫) তুমি আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর।  إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ(৬) এমন ব্যক্তিদের পথ, যাদেরকে তুমি পুরস্কৃত করেছ। اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ(৭) তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে। (আমীন! তুমি কবুল কর!) صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ…

Read more