• 0 Comments
তায়াম্মুম

ইবাদত পালনের জন্য ইসলামে পবিত্রতা অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পবিত্রতা অর্জন সাধারণত অজু, গোসল ইত্যাদির মাধ্যমে হয়ে থাকে। কিন্তু কখনো কখনো এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, কোনো স্থানে পবিত্রতা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত পানি নেই, কিংবা পানি ব্যবহার ব্যক্তির জন্য ক্ষতিকর। এমন পরিস্থিতিতে ইসলাম তায়াম্মুম করার অনুমতি দিয়েছে। যেসব ইবাদত করা যাবে তায়াম্মুম দ্বারা নামাজ পড়া যাবে, কোরআন তেলাওয়াত করা যাবে, কাবা শরিফ তাওয়াফ করাসহ ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল; সব ধরনের ইবাদত করা যাবে। এ ছাড়াও যেসব ইবাদতে অজু বা পবিত্রতা অপরিহার্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে সমস্যা ছাড়াও তায়াম্মুম করা যাবে। যেমন…

Read more

  • 0 Comments
ফরজ সুন্নত ওয়াজিব নফল কী

শরিয়তের আদেশ-নিষেধ ও বিধানাবলি স্তরভেদে বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। আদেশসমূহ যথা—ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও মুস্তাহাব ইত্যাদি। আর নিষেধসমূহ যথা— হারাম ও মাকরুহ ইত্যাদি। আর কিছু জিনিস রয়েছে আদেশ-নিষেধ কোনোটিই নয়, বরং শুধু বৈধতার পর্যায়ে পড়ে। ফরজ ফরজ ওই আদেশমূলক বিধানকে বলা হয় যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং তার অকাট্যতার ওপর নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস রাখা ও আমল করা অপরিহার্য। কোনো ওজর ব্যতীত তা ত্যাগকারীকে ‘ফাসিক’ বলে গণ্য করা হয় এবং তার অস্বীকারকারী ‘কাফির’ বলে গণ্য হয়। (উসুলে সারখসি : ১/১১০) ফরজ দুই প্রকার : ফরজে আইন ও ফরজে কিফায়া। ফরজে আইন : ফরজে আইন…

Read more

  • 0 Comments
নফল নামাজ

মূলত মানুষকে সৃষ্টিই করা হয়েছে মহান আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। যে যত বেশি আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হবে, তার প্রাপ্তি ও প্রতিদানও অনুরূপ হবে। তাই আল্লাহর রাসুল (সা.) নিজেও যেমন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি দিন-রাত অনেক নফল নামাজ পড়তেন, তেমনি উম্মতকেও সেসব পালনের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। ফরজের বাইরে নবীজি (সা.) যেসব নামাজ পড়েছেন সেগুলোকে সাধারণত সুন্নত নামাজ বলা হয়। আবার কিছু আছে সেগুলোকে নফল বলে আখ্যায়িত করা হয়। এসব নামাজের জন্য আজান-ইকামতের দরকার পড়ে না। নফল নামাজের প্রকার নফল নামাজ দুই প্রকার- ১. এমন নফল নামাজ যার নির্ধারিত কোনো সময়…

Read more

  • 0 Comments
নবীদের রোজা পালন

মানুষের হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী রাসুল এসেছেন পৃথিবীতে। মানুষকে আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার সব পথ ও পদ্ধতি বাতলে দিয়ে উম্মতকে চির শান্তির নিবাস জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে নবীরা ছিলেন বার্তাবাহক। আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার কিছু আমল আছে। যা যুগে যুগে চলমান ছিল। সেসব গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে রোজা একটি। রোজা প্রত্যেক যুগেই ছিল। প্রত্যেক নবীর শরিয়তে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে রোজা পালিত হত। আদি পিতা আদম (আ.) এর যুগে রোজা সৃষ্টি জীবের মধ্যে সর্ব প্রথম রোজা রাখেন হযরত আদম আ.। আদি পিতা আদম (আ.) ও তার সন্তানরাও ৩০ রোজা রাখতেন। হাদিসের…

Read more

  • 0 Comments
রমজানের রোজা না রাখার ভয়াবহ শাস্তি

রোজা ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। পূর্ববর্তী উম্মতের ওপরও রোজা ফরজ ছিল। রোজার সুফল হলো এর মাধ্যমে তাকওয়া বা আল্লাহভীতি লাভ হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩) রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ছাড়া রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ। কেননা আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী কোরআন অবতীর্ণ…

Read more

  • 0 Comments
বছরের বিভিন্ন সময়ে রোজা রাখার বিধান

রমজান মাস এবং ফরজ রোজা শেষ হলেও বছরজুড়ে বিভিন্ন রোজা রয়েছে। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সেসব রোজার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বছরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রোজার বিবরণ নিম্নরূপ— এক দিন পর পর রোজা এক দিন পর পর রোজা রাখাকে সওমে দাউদ বলে। দাউদ (আ.) এভাবে রোজা রাখতেন। নবী (সা.) এটিক সর্বোত্তম রোজা বলেছেন এবং বেশি রোজা রাখতে আগ্রহীদের এভাবে রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) আমাকে বলেন, তুমি কি সব সময় রোজা রাখো আর রাতভর নামাজ আদায় করে থাকো? আমি বললাম,…

Read more

  • 0 Comments
রোজা নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

১. খাওয়া দাওয়ার উপর অধিক মনোযোগ রমজানে দেখা যায় মানুষ রোজার থেকে খাওয়া দাওয়া নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে যায়। যদিও একজন মানুষের  জন্য এত অধিক খাবারের প্রয়োজন নেই তারপরও ইফতার আয়োজনে অযথা টাকা খরচ করে। ২. ফজরের অনেক আগেই সেহরি খাওয়া তারাবি কিংবা এশার নামাজের কয়েক ঘন্টা পরই সেহরি খাওয়া ঠিক নয়। ফজরের কাছাকাছি সময়ে সেহরি খাওয়া উচিত। ৩. নিয়াত না করা আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা রমজানে রোজা রাখার সময় রোজা সম্পর্কে কোন প্রকার নিয়ত করা ছাড়াই অর্থাৎ রোজার পালন সম্পর্কে কোন প্রকার লক্ষ্য নির্ধারণ ছাড়াই রোজা পালন করেন।…

Read more

  • 0 Comments
রমজানে ক্ষুধা ও অবসাদ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রমজানে আমরা সাধারণত দুটি কারণে শারীরিকভাবে কষ্ট অনুভব করে থাকি। প্রথমটি হচ্ছে ক্ষুধা, আর দ্বিতীয়টি অবসাদ। সাধারণত পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে পুরো রমজানজুড়ে অনেকে দিনের বেলা ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগেন। তা ছাড়া স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণে ব্যত্যয় ঘটলেও ক্ষুধার অনুভূতি বেড়ে যায়। তবে রমজানে পরিমিত পরিমাণে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। সে সময় ধৈর্যধারণ করে আল্লাহর কাছে এর জন্য পুরস্কারের দোয়া করা উচিত।  আমাদের নবীজিকেও (সা.) অনেক সময় প্রচণ্ড ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে হয়েছে। তবে সে সময় তিনি ধৈর্য হারা হননি, কারও কাছে এ বিষয়ে অভিযোগও করেননি। বুখারির বর্ণনায় এসেছে, সাহাবি জাবির (রা.) বলেন, ‘খন্দকের যুদ্ধে পরিখা…

Read more

  • 0 Comments
কুরআন তেলাওয়াতের আদব সমূহ

পৃথিবীর বুকে মানুষের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে কোরআনে কারিম। কোরআন তেলাওয়াত শোনার মানে হলো শ্রেষ্ঠ বাণী শোনা। কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত স্বতন্ত্র ইবাদত হিসেবে গণ্য। এর ফজিলত অনেক বেশি। কুরআন তেলাওয়াতের আদব হলো আল্লাহ তা‘আলার জন্য নিয়্যাতকে খালিস করা। কারণ কুরআন তিলাওয়াত একটি মহৎ ইবাদত। কুরআন তেলাওয়াতের আদব সমূহ: ১. পবিত্রতা অর্জন করে কুরআন তিলাওয়াত করা। ২. পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরে কুরআন পাঠ করা। ৩. ক্বিবলামুখী হয়ে বসে কুরআন পাঠ করা। ৪. কুরআন পাঠের পূর্বে মিসওয়াক করে নেয়া। ৫. পূর্ন মনোযোগের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। ৬. কুরআন…

Read more

  • 0 Comments
সিজদায়ে সাহু

‘সিজদায়ে সাহু’ মানে ভুলের সিজদা। নামাজে কোনো ওয়াজিব ভুলক্রমে ছেড়ে দিলে সিজদায়ে সাহু দিতে হয়। তখন সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে নামাজে পূর্ণতা আনা হয়। নামাজে কখন সাহু সিজদা দিতে হয়? ♦  নামাজের কোনো ওয়াজিব আমল কেউ ইচ্ছা করে ছেড়ে দিলে, গুনাহগার হবে এবং নামাজও নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ওই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে। তখন সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে, নামাজ পূর্ণ হবে না। ♦ নামাজের কোনো ওয়াজিব কাজ ভুলক্রমে ছুটে গেলে, সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। (বুখারি, হাদিস: ৩৮৬; আবু দাউদ, হাদিস: ৮৭৪; আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৭৮০৮) ♦…

Read more