প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে কিছু নির্দিষ্ট দোয়া ও জিকির প্রতিদিন ১০০ বার করার জন্য উৎসাহিত করেছেন এবং ফজিলতও বর্ণনা করেছেন। উম্মত হিসেবে আমাদের উচিত প্রতিদিন জিকিরগুলো নবীজির কথা অনুযায়ী যথানিয়মে আদায় করা, যাতে নবীজির ঘোষিত পুরস্কার লাভ করতে পারি।

১) প্রতিদিন ১০০ বার এই দোয়া পড়া

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার এ দোয়া পড়বে,

  • তার ১০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব হবে।
  • তার জন্য ১০০ পুণ্য লেখা হবে এবং ১০০ গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে।
  • ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে রক্ষিত থাকবে।
  • কোনো মানুষ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে তার চেয়ে এই আমল বেশি পরিমাণে করবে।’

(বুখারি: ৩২৯৩)।

২) প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় ১০০ বার এই বাক্যটি পড়া

হাদিসে এসেছে,

‘যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ ১০০ বার পাঠ করে, এতে মহান আল্লাহ তাকে (কেয়ামতের দিন) সৃষ্টিকুলের সব মানুষ থেকে বেশি মর্যাদা দান করবেন।’

(আবু দাউদ: ৫০৯১)

৩) প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় ১০০ বার এই জিকির করা

কেউ সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ পাঠ করলে কেয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশি সওয়াব নিয়ে আর কেউ উপস্থিত হতে পারবে না। (সহিহ মুসলিম: ৬৫৯৯) ।

৪) প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাসবিহে ফাতেমির সঙ্গে উপরে উল্লেখিত এক নম্বর দোয়া পড়ে ১০০ বার পূর্ণ করা।

৫) প্রতিদিন ১০০ বার তওবা ও ইস্তেগফার করা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে উপরোক্ত জিকিরগুলো প্রতিদিন ১০০ বার করে যথানিয়মে পাঠ করার তাওফিক দান করুন।

সংগৃহীত