সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, ফজর ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ সময়মতো আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, ইফতারের পূর্বে দোয়া, এবং তারাবিহ ও রাতের ইবাদতের মাধ্যমে সময় কাটানো উচিত। কাজের মাঝে জিকির ও আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।

রমজানের আদর্শ দৈনিক রুটিন:

  • ভোর (সেহরি ও ইবাদত):
    • শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ ও কুরআন তিলাওয়াত করুন।
    • সুস্থ থাকতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ে সেহরি গ্রহণ করুন।
    • সেহরির পর ফজর নামাজ আদায় করে সকালের আজকার করুন।
  • সকাল ও কর্মব্যস্ত সময়:
    • কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে দিন শুরু করুন।
    • কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিন, কাজের মাঝে বিরতি নিয়ে জিকির করুন।
  • দুপুর ও বিকেল:
    • যোহরের নামাজ সময়মতো আদায় করুন।
    • কাজের চাপ সামলাতে দুপুরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন বা হালকা কাজ করুন।
    • ইফতারের আগে (ইফতারের ১-২ ঘণ্টা আগে) হালকা ব্যায়ম করা যেতে পারে।
  • ইফতার ও সন্ধ্যা:
    • খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন এবং ইফতারের আগে বেশি দোয়া করুন।
    • ইফতারের সময় অতিভোজন এড়িয়ে চলুন, পুষ্টিকর ও হালকা খাবার খান।
    • মাগরিবের নামাজ আদায় করুন।
  • রাত (তারাবিহ ও বিশ্রাম):
    • ইশার নামাজের সাথে তারাবিহ ও বিতর নামাজ আদায় করুন।
    • পরিবারের সাথে সময় কাটান বা কিছু সময় কুরআন অধ্যয়ন করুন।
    • পরদিন সেহরির জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করুন। 

সুস্থতায় কিছু টিপস:

  • ক্যাফেইন (চা/কফি) কমিয়ে দিন এবং ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পানি পান করুন।
  • রোজায় শরীরের সংকেত অনুযায়ী খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিন।