• 0 Comments
সালাতুল তাসবিহ

সালাতুত তাসবীহ একটি বিশেষ নামাজ। অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ নফল আমল। নামাজটিতে বার বার বিশেষ একটি তাসবীহ পাঠ করতে হয় বলেই পরিভাষায় একে ‘সালাতুত তাসবীহ’ বলা হয়।  পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের চেয়ে একটু আলাদা সালাতুত তাসবিহ’র নামাজ। যে নামাজে বার বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি পড়া হয়, ওই নামাজকে সালাতুত তাসবিহ বা তাসবিহ-এর নামাজ। হাদিসের বর্ণনা থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.) বলেছেন, এই নামাজটি আদায় করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার আগের-পরের, পুরাতন-নতুন, ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত, সগিরা-কবিরা এবং গুপ্ত-প্রকাশ্য সব প্রকার গোনাহ মাফ করে দেবেন। সালাতুত তাসবীহ নামাজের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে…

Read more

  • 0 Comments
ঈদের রাতের ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ আমল

ঈদের রাতটি মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। এ রাতে জেগে থেকে ইবাদতের ফলে মুমিনের জন্য জান্নাত ওয়াজিব হওয়ার সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। ঈদের রাত শুধু আনন্দ উৎসবের রাত নয়। বরং আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও সেতুবন্ধনের রাত এটি। ঈদের রাতের ইবাদাত বন্দেগির ফজিলত, গুরুত্ব ও মর্যাদা অনেক। এ ব্যাপারে হাদিসের অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। সুতরাং এ রাতটিকে অবহেলায়, গান বাজনায়, মেহেদি উৎসব ও সাজ-সজ্জায় ব্যস্ত না রেখে কুরআন তিলাওয়াত ও নামাজে কাটানো মুসলিম উম্মাহর ঈমানের দাবি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এ এক দীর্ঘ হাদীসে বর্ণনা করেন, যখন ঈদুল ফিতরের রাতের আগমন হয়।…

Read more

  • 0 Comments
শাওয়ালের ৬ রোজা

শাওয়ালের রোজা রাখা ফরজ না, এটি মোস্তাহাব এবং একটি নফল ইবাদত। তবে এতে রয়েছে অসংখ্য অগণিত সওয়াব। হাদিসে প্রিয় নবী সা. শাওয়াল মাসের প্রথম দিকে, মধ্যভাগে বা শেষাংশে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখার কথা বলেননি। আবার রোজা ছয়টি লাগাতার রাখার নির্দেশনাও হাদিসে দেখা যাচ্ছে না। তাই বিজ্ঞ ফিকহবিদ ও আলিমগণের অভিমত হলো শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয়দিনে রোজা রাখলেই উল্লিখিত সওয়াব লাভ করা যাবে। হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এই রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদের রাখার নির্দেশ দিতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা রমজানে…

Read more

  • 0 Comments
ঈদ সালামি

ঈদ আরবি শব্দ। যার অর্থ খুশি, আনন্দ, ফিরে আসা ইত্যাদি। যেহেতু প্রতি বছর দিনটি ফিরে আসে তাই, একে ঈদ বলা হয়। ঈদ আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ। ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদ সালামি দেওয়ার এ প্রচলনে কোনো আপত্তি বা ধর্মীয় বাধা-নিষেধ নেই। বরং এর মাধ্যমে ছোটদের প্রতি স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এতে পারস্পারিক বন্ধন সুদৃঢ় হয়। তা ছাড়া ইসলামে উপহার দেওয়া-নেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য (কাউকে কিছু) দেয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই দেয়া থেকে বিরত থাকে; আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই যে ভালোবাসে আর আল্লাহর জন্যই…

Read more

  • 0 Comments
সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকার সুন্নাহ্

দুষ্টু জিনেরা অদৃশ্য থেকে মানুষের ক্ষতি করে আর খারাপ মনের মানুষেরা নিজেদের আড়াল করে আমাদের সাফল্যকে বিনষ্ট করতে চায়। ব্যবসা, চাকরি-বাকরি, বিয়েশাদি ইত্যাদি দৈনন্দিন জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর যাদু-টোনার মাধ্যমে ক্ষতিসাধনের অপচেষ্টা করে তারা। এসব বিষয় থেকে নিরাপদ থাকতে রাসুল (সা.) আমাদের একটি সহজ আমল শিখিয়েছেন। আমরা যদি ইখলাসের সঙ্গে ও আন্তরিকভাবে আমলটি করতে পারি, আশা করি-আল্লাহতায়ালা আমাদের সব রকমের বালা-মসিবত এবং অনিষ্ট ও অপকারিতা থেকে নিরাপদ রাখবেন। ওই আমলটি সম্পর্কে হজরত আব্দুল্লাহ বিন খুবাইব (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন গভীর অন্ধকার রাতে বৃষ্টিপাতের মধ্যে আমরা রাসুল (সা.)-এর খোঁজে বের হলাম।…

Read more

  • 0 Comments
ফজরের নামাজের ফজিলত

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করল। আর যে ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করল, সে যেন সারা রাত জেগে নামাজ আদায় করল।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩৭৭) ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া ও তার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৫৭৩) ‘যে ফজরের নামাজ আদায় করল, সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩৭৯) ‘সেই মানুষটি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের আগের এবং সূর্যাস্তের আগের অর্থাৎ ফজর ও আসরের নামাজ আদায় করে।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৩২২) ‘মুনাফিকদের জন্য ফজর ও…

Read more

  • 0 Comments
জামাতে নামাজের গুরুত্ব

জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত একা পড়ার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি। (বুখারি শরিফ) মসজিদে নামাজ আদায় করলে বান্দার আত্মিক উন্নতি হয়। সামাজিক ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। জামাতে নামাজ আদায় করায় মুসলমানরা দৈনিক পাঁচবার একত্রে মিলিত হওয়ার সুযোগ পান। ফলে তাদের মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে ওঠে। একতাবদ্ধ হয়ে সৎ কাজ করার শিক্ষা জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে অর্জন করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নামাজের প্রথম সারি হলো ফেরেশতাদের সারির মতো। তোমরা যদি প্রথম সারির মর্যাদা সম্পর্কে জানতে, তবে তা পাওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়তে। মনে রেখো, একা নামাজ পড়ার চেয়ে দুই ব্যক্তির একত্রে নামাজ…

Read more

  • 0 Comments
নামাজে রাকাত আদায়ে কমবেশি নিয়ে সন্দেহ হলে

আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ নামাজে ভুল করে, যখন সে বলতে পারে না সে এক রাকাত, দুই রাকাত না তিন রাকাত আদায় করেছে। সেটি ঠিক করতে না পারলে দুই রাকাতকে ভিত্তি ধরবে। আর যদি তিন রাকাত আদায় করেছে না চার রাকাত আদায় করেছে সেটি বুঝতে না পারে, তবে তিন রাকাতকে ভিত্তি ধরবে। এ ক্ষেত্রে সালাম ফেরানোর আগে দুই সেজদা করতে হবে। (তিরমিজি, ৩৯৮) সংগৃীত

Read more

  • 0 Comments
জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের কিছু ভুল

দৌড়ে এসে জামাতে শরিক হওয়া দৌড়ে এসে নামাজে শরিক হলে কেউ প্রথম তাকবির বা দুই–এক রাকাত বেশি পাবে, কিন্তু তখন সে স্থিরচিত্তে নামাজ পড়তে পারবে না। পুরো নামাজ জুড়েই অস্থিরতা থেকে যাবে। কেউ জোরে হেঁটে এসে ক্লান্ত না হয়ে নামাজ পড়তে পারলে অবশ্য কোনো সমস্যা নেই। হাদিসে আছে, ‘নামাজের একামত শুনলে তোমরা ধীর ও শান্তভাবে মসজিদে বা জামাতে যাও। তাড়াহুড়া কোরো না। ইমামের সঙ্গে নামাজের যতটুকু অংশ পাও ততটুকু পড়ে নাও। আর যে অংশটুকু ছুটে যায়, তা একা পূরণ করে নাও। বুখারি, হাদিস: ৬৩৬ কাতারের মাঝখানে ফাঁক রেখে দাঁড়ানো কাতার সোজা করার পর লক্ষ রাখতে হবে, কাতারের মাঝখানে…

Read more