• 0 Comments
শিরক

শিরক হচ্ছে অংশীদার স্থাপন। ইসলামের পরিভাষায় কোরআন সুন্নাহতে আল্লাহর যে সমস্ত নাম ও গুণাবলি উল্লিখিত হয়েছে সেগুলোকে অবিশ্বাস করা, যে সব কাজের জন্য (ইবাদত ও আমল) আল্লাহ বান্দাদের সৃষ্টি করেছেন তাতে তার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত করা থেকে বিরত থাকাকে শিরক বলে। আমল বিধ্বংসী এ কাজ সৎকর্মশীলদের সকল নেক আমল ধ্বংস করে দেয়। এর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। মুশরিকের জন্য পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। সকল নবী ও রাসূল প্রেরণের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিরক নামক ব্যাধি থেকে মানবতাকে মুক্ত করে তাওহীদের আলোতে আলোকিত করা। শিরক শব্দের অর্থ শিরক অর্থ হচ্ছে অংশীদার সাব্যস্ত করা, সমকক্ষ মনে…

Read more

  • 0 Comments
কোরবানির প্রয়োজনীয় কিছু মাসয়ালা

কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি আদায় করা ওয়াজিব। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না তার ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, ‘যার কুরবানীর সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ কার উপর কুরবানী ওয়াজিব মাসআলা : প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল…

Read more

  • 0 Comments
সূরা লাহাব সংক্ষিপ্ত তাফসীর

সূরা ফাতেহার পরে মক্কায় অবতীর্ণ। সূরা ১১১, আয়াত ৫, শব্দ ২৯, বর্ণ ৮১। بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) ধ্বংস হৌক আবু লাহাবের দু’হাত এবং ধ্বংস হৌক সে নিজে। تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ (২) তার কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা কিছু সে উপার্জন করেছে। مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ (৩) সত্বর সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে। سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ (৪) এবং তার স্ত্রীও; যে ইন্ধন বহনকারিণী। وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ (৫) তার গলদেশে খর্জুরপত্রের পাকানো রশি। فِي جِيدِهَا حَبْلٌ…

Read more

  • 0 Comments
সুরা ফালাক সংহ্মিপ্ত তাফসীর

قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ (১) مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (২) وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ (৩) وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (৪) وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ (৫) উচ্চারণ:– ক্বুল আঊযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শার্রি মা খালাক্ব। অমিন শার্রি গা-সিক্বিন ইযা অক্বাব। অমিন শার্রিন্‌ নাফ্‌ফা-ষা-তি ফিল উক্বাদ। অমিন শার্রিহা-সিদিন ইযাহাসাদ। অর্থ:- তুমি বল, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার প্রভুর নিকট। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। এবং রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা গভীর অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়। এবং গ্রন্থিতে ফুত্কারিণী (যাদুকরী)দের অনিষ্ট হতে। এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে যখন সে হিংসা…

Read more

  • 0 Comments
সুরা নাস সংহ্মিপ্ত তাফসীর

শানে নুযুল এই সুরার শানে নুযুল হলো- সূরা ফালাক ও সুরা নাস একসঙ্গে নাজিল হয়েছে। এই দুই সুরা নাজিলের প্রেক্ষাপট বা শানে নুযূল হল, হুদাইবিয়ার ঘটনার পর লাবীদ ইবনে আসাম এবং তার কন্যারা রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর যাদু করেছিল। ফলে তিনি কিছুটা কষ্ট অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন।  ফেরেশতাদের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা যাদুকরের নাম এবং কোথায়, কিভাবে যাদু করা হয়েছে এ সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছেন। চিরুনী ও চুলের সাহায্যে যাদু করা হয়, যা যারওয়ান কূপের তলদেশে একটি পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এ সুরাটি নাজিল হওয়ার পর…

Read more

  • 0 Comments
সুরা ইখলাস সংহ্মিপ্ত তাফসীর

সুরা ইখলাস। কুরআনুল কারিমের ১১২তম ও ছোট সুরা এটি। যে সুরা তেলাওয়াতের মাধ্যমে মানুষ সবচেয়ে বেশি ফজিলত ও নেয়ামত পায় সেটি হলো সুরা ইখলাস। আল্লাহর পরিচয় তুলে ধরা ৪ আয়াত বিশিষ্ট ছোট্ট সুরাটি হিজরতের আগে মক্কায় অবতীর্ণ হয়। সুরার নামের অর্থ থেকেই এর ফজিলত, মর্যাদা ও নেয়ামত প্রকাশ পায়। উচ্চারণ : কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুচ্চামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।’ অর্থ : (হে রাসুল! আপনি) বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই।’…

Read more

  • 2 Comments
সুরা আল- আল কাওসার সংহ্মিপ্ত তাফসীর

নামকরণ: সূরার প্রথম আয়াতে উল্লিখিত الكوثر কাউসার শব্দ থেকেই কাউসার নামে সূরার নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া এ সূরাকে সূরা নাহারও বলা হয়। কাউসার দ্বারা উদ্দেশ্য হল হাউজে কাউসার, যা কিয়ামতের মাঠে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে প্রদান করা হবে। শানে নুযূল: আনাস বিন মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন : একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কিছুক্ষণ তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন। হঠাৎ মাথা তুলে হাসিমুখে বললেন অথবা তাঁর হাসির কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: এইমাত্র আমার ওপর একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। তারপর তিনি বিসমিল্লাহ বলে সূরা কাউসার পাঠ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: কাউসার কী তোমরা জান? জবাবে…

Read more

  • 0 Comments
ইসমাইল ইবনে মুসা মেনক

ডক্টর ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক, যিনি মুফতি মেঙ্ক নামে অধিক পরিচিত, হলেন একজন মুসলিম শিক্ষাবিদ, ইসলাম প্রচারক ও বক্তা। জন্ম ও শিক্ষা জীবন মুফতি মেঙ্ক জিম্বাবুয়ের হারারে-তে জন্মগ্রহণ করেন, সেখানেই তার প্রারম্ভিক শিক্ষার হাতেখড়ি। উনি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাবেন, তার আগ দিয়ে জানতে পারেন উনার পিতা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যে উনার নাম দিয়েছিলেন এবং উনি নির্বাচিত হয়েছেন। তখন উনার বাবা উনাকে বলেন, মদিনা রাসুলুল্লাহ এর শহর, চেষ্টা করে দেখতে গিয়ে কি হয়। বাবার কথামত উনি সেখানে যান এবং পরবর্তীতে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়া আইনের ওপর উপাধি অর্জন করেন।…

Read more