• 0 Comments
হযরত আইয়ুব (আঃ)

আল্লাহর প্রিয় নবী হযরত আইয়ুব (আঃ) এর কথা পবিত্র কুরআন শরীফের চারটি স্থানে উল্লেখ হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি ছিলেন বনী ইসরাইলের একজন নবী। কেউ বলেছেন, তিনি ছিলেন মিশরীয়। তবে ঐতিহাসিক ইবনে ইসহাকের মতকে অনেকে সঠিক বলেছেন। তাঁর মতে, হযরত আইয়ুবের বংশ পরিচয় হলো হযরত ইব্রাহীমের পুত্র ইসহাক, হযরত ইসহাকের পুত্র ঈশু, ঈশুর পুত্র আমুশ, আমুশের পুত্র আইয়ুব। হযরত আইয়ুব (আঃ) খ্রিষ্টপূর্ব নবম বা দশম শতকের লোক ছিলেন। হযরত আইয়ুব আল্লাহর নবীদের একজন। তার পিতার দিক থেকে তার বংশধর চার বা পাঁচজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ইবরাহিম (আ.)-এর কাছে পৌঁছেছে। তার মাও…

Read more

  • 0 Comments
হযরত ইউসুফ (আঃ)

হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর পিতা ছিলেন ইয়াকূব ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (আঃ)। তাঁরা সবাই কেন‘আন বা ফিলিস্তীনের হেবরন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ইয়াকূব (আঃ)-এর দ্বিতীয়া স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ইউসুফ ও বেনিয়ামীন। শেষোক্ত সন্তান জন্মের পরপরই তার মা মৃত্যুবরণ করেন। পরে ইয়াকূব (আঃ) তাঁর স্ত্রীর অপর এক বোন লায়লা-কে বিবাহ করেন। ইউসুফ-এর সাথে মিসরে পুনর্মিলনের সময় ইনিই মা হিসাবে সেখানে পিতার সাথে উপস্থিত ছিলেন। হযরত ইয়াকূব (আঃ) মিসরে পুত্র ইউসুফের সাথে ১৭ বছর মতান্তরে ২০ বছরের অধিককাল অতিবাহিত করেন। অতঃপর ১৪৭ বছর বয়সে সেখানেই ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে অছিয়ত করে যান যেন তাঁকে…

Read more

  • 0 Comments
হযরত ইয়াকুব (আঃ)

হযরত ইয়াকুব (আঃ) হযরত ইসহাক (আঃ) এর সন্তান। হযরত ইসহাক (আঃ) এর বিবাহের পর তাঁর দু’টি পুত্র সন্তান একত্রে জন্মগ্রহণ করেন। একটির নাম ঈসু এবং অপরটির নাম রাখেন ইয়াকুব। তাদের দু’ভাইয়ের মধ্যে ইয়াকুব (আঃ) মাতার নিকট অতি প্রিয় ছিল। আর তাঁর ভাই ঈসু পিতার নিকট অতি আদরের ছিল। দু’ভাইয়ের মধ্যে কিছুটা মনের গড়মিল হয়েছিল। তাই হয্রত ইয়াকুব (আঃ) মাতার পরামর্শে তাঁর মামা বাড়ি ফান্দানে বসবাস করার জন্য চলে যান। ফাদ্দান যাওয়ার পরে রাত্র হয়ে গেল। রাত্র যাপনের উদ্দেশ্যে তিনি একটি বড় পাথরের উপর ঘুমায়ে পড়লেন। তখন তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে,…

Read more

  • 0 Comments
অহংকারের কুফল ও অহংকারীর পরিণতি

প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি শক্তি লুকায়িত থাকে। একটি ফেরেশতার চরিত্র বা ইতিবাচক গুণাবলি আর দ্বিতীয়টি হলো শয়তানি চরিত্র বা মন্দ স্বভাব। নেতিবাচক স্বভাবের একটি হলো অহংকার। অহংকার শয়তানের চরিত্র। এই অহংকার ও হিংসাই ইবলিশকে ফেরেশতাদের শিক্ষক থেকে শয়তানে পরিণত করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সে (ইবলিশ সম্মানিত আদমকে সিজদার মাধ্যমে সম্মান করতে) অস্বীকার করল এবং অহংকার করল, পরিণতিতে সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৩৪) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তিনটি বস্তু মানবের ধ্বংসের কারণ—প্রবৃত্তি বা নফসের পূজা, লোভ ও আত্ম-অহংকার। তিনি আরও বলেন, ‘অহংকারই হলো সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতিকারক।’ আত্মগৌরব করা…

Read more

  • 0 Comments
তায়াম্মুম

ইবাদত পালনের জন্য ইসলামে পবিত্রতা অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পবিত্রতা অর্জন সাধারণত অজু, গোসল ইত্যাদির মাধ্যমে হয়ে থাকে। কিন্তু কখনো কখনো এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, কোনো স্থানে পবিত্রতা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত পানি নেই, কিংবা পানি ব্যবহার ব্যক্তির জন্য ক্ষতিকর। এমন পরিস্থিতিতে ইসলাম তায়াম্মুম করার অনুমতি দিয়েছে। যেসব ইবাদত করা যাবে তায়াম্মুম দ্বারা নামাজ পড়া যাবে, কোরআন তেলাওয়াত করা যাবে, কাবা শরিফ তাওয়াফ করাসহ ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল; সব ধরনের ইবাদত করা যাবে। এ ছাড়াও যেসব ইবাদতে অজু বা পবিত্রতা অপরিহার্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে সমস্যা ছাড়াও তায়াম্মুম করা যাবে। যেমন…

Read more

  • 0 Comments
ফরজ সুন্নত ওয়াজিব নফল কী

শরিয়তের আদেশ-নিষেধ ও বিধানাবলি স্তরভেদে বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। আদেশসমূহ যথা—ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও মুস্তাহাব ইত্যাদি। আর নিষেধসমূহ যথা— হারাম ও মাকরুহ ইত্যাদি। আর কিছু জিনিস রয়েছে আদেশ-নিষেধ কোনোটিই নয়, বরং শুধু বৈধতার পর্যায়ে পড়ে। ফরজ ফরজ ওই আদেশমূলক বিধানকে বলা হয় যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং তার অকাট্যতার ওপর নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস রাখা ও আমল করা অপরিহার্য। কোনো ওজর ব্যতীত তা ত্যাগকারীকে ‘ফাসিক’ বলে গণ্য করা হয় এবং তার অস্বীকারকারী ‘কাফির’ বলে গণ্য হয়। (উসুলে সারখসি : ১/১১০) ফরজ দুই প্রকার : ফরজে আইন ও ফরজে কিফায়া। ফরজে আইন : ফরজে আইন…

Read more

  • 0 Comments
নফল নামাজ

মূলত মানুষকে সৃষ্টিই করা হয়েছে মহান আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। যে যত বেশি আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হবে, তার প্রাপ্তি ও প্রতিদানও অনুরূপ হবে। তাই আল্লাহর রাসুল (সা.) নিজেও যেমন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি দিন-রাত অনেক নফল নামাজ পড়তেন, তেমনি উম্মতকেও সেসব পালনের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। ফরজের বাইরে নবীজি (সা.) যেসব নামাজ পড়েছেন সেগুলোকে সাধারণত সুন্নত নামাজ বলা হয়। আবার কিছু আছে সেগুলোকে নফল বলে আখ্যায়িত করা হয়। এসব নামাজের জন্য আজান-ইকামতের দরকার পড়ে না। নফল নামাজের প্রকার নফল নামাজ দুই প্রকার- ১. এমন নফল নামাজ যার নির্ধারিত কোনো সময়…

Read more

  • 0 Comments
নবীদের রোজা পালন

মানুষের হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী রাসুল এসেছেন পৃথিবীতে। মানুষকে আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার সব পথ ও পদ্ধতি বাতলে দিয়ে উম্মতকে চির শান্তির নিবাস জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে নবীরা ছিলেন বার্তাবাহক। আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার কিছু আমল আছে। যা যুগে যুগে চলমান ছিল। সেসব গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে রোজা একটি। রোজা প্রত্যেক যুগেই ছিল। প্রত্যেক নবীর শরিয়তে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে রোজা পালিত হত। আদি পিতা আদম (আ.) এর যুগে রোজা সৃষ্টি জীবের মধ্যে সর্ব প্রথম রোজা রাখেন হযরত আদম আ.। আদি পিতা আদম (আ.) ও তার সন্তানরাও ৩০ রোজা রাখতেন। হাদিসের…

Read more

  • 0 Comments
রমজানের রোজা না রাখার ভয়াবহ শাস্তি

রোজা ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। পূর্ববর্তী উম্মতের ওপরও রোজা ফরজ ছিল। রোজার সুফল হলো এর মাধ্যমে তাকওয়া বা আল্লাহভীতি লাভ হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩) রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ছাড়া রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ। কেননা আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী কোরআন অবতীর্ণ…

Read more

  • 0 Comments
বছরের বিভিন্ন সময়ে রোজা রাখার বিধান

রমজান মাস এবং ফরজ রোজা শেষ হলেও বছরজুড়ে বিভিন্ন রোজা রয়েছে। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সেসব রোজার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বছরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রোজার বিবরণ নিম্নরূপ— এক দিন পর পর রোজা এক দিন পর পর রোজা রাখাকে সওমে দাউদ বলে। দাউদ (আ.) এভাবে রোজা রাখতেন। নবী (সা.) এটিক সর্বোত্তম রোজা বলেছেন এবং বেশি রোজা রাখতে আগ্রহীদের এভাবে রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) আমাকে বলেন, তুমি কি সব সময় রোজা রাখো আর রাতভর নামাজ আদায় করে থাকো? আমি বললাম,…

Read more