• 0 Comments
রোজা নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

১. খাওয়া দাওয়ার উপর অধিক মনোযোগ রমজানে দেখা যায় মানুষ রোজার থেকে খাওয়া দাওয়া নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে যায়। যদিও একজন মানুষের  জন্য এত অধিক খাবারের প্রয়োজন নেই তারপরও ইফতার আয়োজনে অযথা টাকা খরচ করে। ২. ফজরের অনেক আগেই সেহরি খাওয়া তারাবি কিংবা এশার নামাজের কয়েক ঘন্টা পরই সেহরি খাওয়া ঠিক নয়। ফজরের কাছাকাছি সময়ে সেহরি খাওয়া উচিত। ৩. নিয়াত না করা আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা রমজানে রোজা রাখার সময় রোজা সম্পর্কে কোন প্রকার নিয়ত করা ছাড়াই অর্থাৎ রোজার পালন সম্পর্কে কোন প্রকার লক্ষ্য নির্ধারণ ছাড়াই রোজা পালন করেন।…

Read more

  • 0 Comments
রমজানে ক্ষুধা ও অবসাদ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রমজানে আমরা সাধারণত দুটি কারণে শারীরিকভাবে কষ্ট অনুভব করে থাকি। প্রথমটি হচ্ছে ক্ষুধা, আর দ্বিতীয়টি অবসাদ। সাধারণত পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে পুরো রমজানজুড়ে অনেকে দিনের বেলা ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগেন। তা ছাড়া স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণে ব্যত্যয় ঘটলেও ক্ষুধার অনুভূতি বেড়ে যায়। তবে রমজানে পরিমিত পরিমাণে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। সে সময় ধৈর্যধারণ করে আল্লাহর কাছে এর জন্য পুরস্কারের দোয়া করা উচিত।  আমাদের নবীজিকেও (সা.) অনেক সময় প্রচণ্ড ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে হয়েছে। তবে সে সময় তিনি ধৈর্য হারা হননি, কারও কাছে এ বিষয়ে অভিযোগও করেননি। বুখারির বর্ণনায় এসেছে, সাহাবি জাবির (রা.) বলেন, ‘খন্দকের যুদ্ধে পরিখা…

Read more

  • 0 Comments
কুরআন তেলাওয়াতের আদব সমূহ

পৃথিবীর বুকে মানুষের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে কোরআনে কারিম। কোরআন তেলাওয়াত শোনার মানে হলো শ্রেষ্ঠ বাণী শোনা। কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত স্বতন্ত্র ইবাদত হিসেবে গণ্য। এর ফজিলত অনেক বেশি। কুরআন তেলাওয়াতের আদব হলো আল্লাহ তা‘আলার জন্য নিয়্যাতকে খালিস করা। কারণ কুরআন তিলাওয়াত একটি মহৎ ইবাদত। কুরআন তেলাওয়াতের আদব সমূহ: ১. পবিত্রতা অর্জন করে কুরআন তিলাওয়াত করা। ২. পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরে কুরআন পাঠ করা। ৩. ক্বিবলামুখী হয়ে বসে কুরআন পাঠ করা। ৪. কুরআন পাঠের পূর্বে মিসওয়াক করে নেয়া। ৫. পূর্ন মনোযোগের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। ৬. কুরআন…

Read more

  • 0 Comments
সিজদায়ে সাহু

‘সিজদায়ে সাহু’ মানে ভুলের সিজদা। নামাজে কোনো ওয়াজিব ভুলক্রমে ছেড়ে দিলে সিজদায়ে সাহু দিতে হয়। তখন সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে নামাজে পূর্ণতা আনা হয়। নামাজে কখন সাহু সিজদা দিতে হয়? ♦  নামাজের কোনো ওয়াজিব আমল কেউ ইচ্ছা করে ছেড়ে দিলে, গুনাহগার হবে এবং নামাজও নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ওই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে। তখন সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে, নামাজ পূর্ণ হবে না। ♦ নামাজের কোনো ওয়াজিব কাজ ভুলক্রমে ছুটে গেলে, সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। (বুখারি, হাদিস: ৩৮৬; আবু দাউদ, হাদিস: ৮৭৪; আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৭৮০৮) ♦…

Read more

  • 0 Comments
নামাযের নিষিদ্ধ সময়

১. সূর্যোদয়ের সময়, যতক্ষণ না তার হলুদ রং ভালোভাবে চলে যায় এবং আলো ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর জন্য আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন হয়। ২. ঠিক দ্বিপ্রহরের সময়, যতক্ষণ না তা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ে। ৩. সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। তবে কেউ যদি ওই দিনের আসরের নামাজ সঠিক সময়ে পড়তে না পারে, তাহলে সূর্যাস্তের আগে হলেও তা পড়ে নিতে হবে। তবে এটি কাজা হিসেবে পড়বে না। ৪. ফজরের নামাজের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। ৫. আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আপনাকে সর্বাবস্থায় সালাত পড়তেই…

Read more

  • 0 Comments
ফরয নামাজ কিভাবে আদায় করতে হয়

পবিত্রতা অর্জ করে নামাজের নিয়্যত করতে হবে। কোন নামাজ পড়ছেন মনে মনে এতটুকু থাকাই নিয়্যতের জন্য যথেষ্ট। তবে তার সাথে মুখে উচ্চারণ করা উত্তম। তারপর ক্বিবলামুখি হয়ে দাড়াতে হবে, দুই পায়ের গুড়ালি বরাবর থাকবে এবং দুই পায়ের মাঝে চার আংগুল পরিমাণ ফাকা থাকবে। তারপর তাকবীরে তাহরীমা অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলে উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাতের আংগুলগুলো সাভাবিক অবস্থায় ক্বিবলা মুখি থাকবে আর উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উভয় কানের লতি বরাবর থাকবে। তারপর হাত নামিয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বরা হালকা বানিয়ে বাম হাতের কবজি ধরবে…

Read more

  • 0 Comments
সহীহ্ নামাজ শিক্ষা

“সালাত” -এর আভিধানিক অর্থ দোয়া, রহমত, ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থ: ‘শরী‘আত নির্দেশিত ক্রিয়া-পদ্ধতির মাধ্যমে আল্লাহর নিকটে বান্দার ক্ষমা ভিক্ষা ও প্রার্থনা নিবেদনের শ্রেষ্ঠতম ইবাদতকে ‘সালাত’ বলা হয়, যা তাকবীরে তাহরীমা দ্বারা শুরু হয় ও সালাম দ্বারা শেষ হয়’।ইসলামের বিভিন্ন বর্ননা অনুযায়ী মুহাম্মাদ (সা.) ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন এবং অব্যবহিত পরে সূরা মু’মিন-এর ৫৫ নম্বর আয়াত স্রষ্টার পক্ষ থেকে সকাল ও সন্ধ্যায় দৈনিক দুই ওয়াক্ত নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ (আবশ্যিক) হওয়ার নির্দেশনা লাভ করেন। তিনি ৬১৪ খ্রিষ্টাব্দে সকাল, সন্ধ্যা ও দুপুরে দৈনিক তিন ওয়াক্ত নামাজের আদেশ লাভ…

Read more

  • 0 Comments
হযরত ইসহাক (আঃ)

হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-এর দ্বিতীয়া স্ত্রি হযরত হাজেরা (আঃ)-এর গর্ভে হযরত ইসমাইল (আঃ) জন্মগ্রহন করলেন। কিন্তু প্রথমা স্ত্রী হযরত সারা (আঃ)-এর বিবাহিত জীবনের এক দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেল কিন্তু তার গর্ভে কোন সন্তান জন্মলাভ করে নি। তিনি নিজেকে বন্ধ্যা মনে করেতেছিলেন। এমনই এক নৈরাজ্যজনক অবস্থায় আল্লাহ পাক হযরত সারার গর্ভে সন্তানের সুসংবাদ ফেরেস্তার মাধ্যমে প্রেরণ করলেন। ফেরেস্তাগণ মানুষের আকৃতিতে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর কাছে উপস্থিত হলেন। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) খুব অতিথি পরায়ন ছিলেন। তাই তিনি অতিথিদের জন্য একটি গরুর বাচ্চা যবেহ করে গোস্ত ভুনা করে এনে রাখলেন। কিন্তু অতিথিগণ খাদ্য…

Read more

  • 0 Comments
হযরত লুত (আঃ)

নবী হযরত লুত (আঃ) এর পিতার নাম ছিল হারান। লূত (আঃ) ছিলেন ইব্রাহীম (আঃ) এর ভাইয়ের ছেলে। ভাতিজা লূত (আঃ) ছোটবেলা থেকেই ইব্রাহীম (আঃ) এর সাহচর্যে বড় হন। এবং ইব্রাহীম (আঃ) এর আহবানে সাড়া দিয়ে সঠিক ধর্ম গ্রহন করেন ও সেই সত্য ধর্ম প্রচার করার জন্য মাতৃভূমি ইরাক ত্যাগ করে হিজরত করে মিশরে চলে আসেন। তিনি ইব্রাহীম (আঃ) এর যুগেই নবুয়ত প্রাপ্ত হন। মিসরে ইব্রাহীম (আঃ) এর সাথে লূত (আঃ) কিছুদিন কাজ করার পর ইব্রাহীম (আঃ) মিসর হতে সিরিয়ার ফিলিস্তিনে, আর লূত (আঃ) জর্দান রাজ্য বা ট্রান্সজর্দান এলাকায় চলে আসেন।…

Read more

  • 0 Comments
হযরত ইসমাইল (আঃ)

হযরত ইসমাঈল (আঃ) ছিলেন পিতা ইবরাহীম (আঃ)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং মা হাজেরার গর্ভজাত একমাত্র সন্তান। ঐ সময়ে ইবরাহীমের বয়স ছিল ৮৬ বছর। শিশু বয়সে তাঁকে ও তাঁর মাকে পিতা ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে মক্কার বিজন ভূমিতে রেখে আসেন। সেখানে ইবরাহীমের দো‘আর বরকতে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে যমযম কূপের সৃষ্টি হয়। অতঃপর ইয়ামনের ব্যবসায়ী কাফেলা বনু জুরহুম গোত্র কর্তৃক মা হাজেরার আবেদনক্রমে সেখানে আবাদী শুরু হয়। ১৪ বছর বয়সে আল্লাহর হুকুমে মক্কার অনতিদূরে মিনা প্রান্তরে সংঘটিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের বিস্ময়কর ত্যাগ ও কুরবানীর ঘটনা। পিতা ইবরাহীম কর্তৃক পুত্র ইসমাঈলকে স্বহস্তে কুরবানীর উক্ত…

Read more