• 0 Comments
হযরত ইব্রাহিম (আ:)

ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) ছিলেন হযরত নূহ (আঃ)-এর সম্ভবত: এগারোতম অধঃস্তন পুরুষ। নূহ থেকে ইবরাহীম পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বছরের ব্যবধান ছিল। হযরত ছালেহ (আঃ)-এর প্রায় ২০০ বছর পরে ইবরাহীমের আগমন ঘটে। ঈসা থেকে ব্যবধান ছিল ১৭০০ বছর অথবা প্রায় ২০০০ বছরের। তিনি ছিলেন ‘আবুল আম্বিয়া’ বা নবীগণের পিতা এবং তাঁর স্ত্রী ‘সারা’ ছিলেন ‘উম্মুল আম্বিয়া’ বা নবীগণের মাতা। তাঁর স্ত্রী সারার পুত্র হযরত ইসহাক্ব-এর পুত্র ইয়াকূব (আঃ)-এর বংশধর ‘বনু ইসরাঈল’ নামে পরিচিত এবং অপর স্ত্রী হাজেরার পুত্র হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশে জন্ম নেন বিশ্বনবী ও শেষনবী হযরত মুহাম্মাদ(ছাল্লাল্লা-হু আলাইহে ওয়া সাল্লাম)।…

Read more

  • 0 Comments
হযরত নূহ (আ:)

হজরত আদমের (আ.) ইন্তেকালের পর অনেকদিন পেরিয়ে গেছে। শয়তানের ধোঁকায় মানুষ ধীরে ধীরে ‎মূর্তিপূজা করতে শুরু করেছে। এমন সময় আল্লাহ তাআলা তাদের মাঝে একজন নবী পাঠান—যিনি এক ‎আল্লাহর দাওয়াত দেন, শিরক না করার নসিহত করেন। তার নাম হজরত নুহ (আ.)। হযরত নূহ (আঃ) এর প্রকৃত নামের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবদুল গাফফার। কেউ কেউ বলেছেন, ‘ইয়াশকুর’। (সাবীঃ খন্ডঃ ৩, পৃষ্ঠাঃ ১১৫, জালালাইন শরীফের হাশিয়াঃ পৃষ্ঠাঃ ২৮৮)। আবার কেউ বলেছেন, তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবদুল জব্বার। (হায়াতুল হায়ওয়ানঃ খন্ডঃ ১, পৃষ্ঠাঃ ১২) কেউ কেউ বলেছেন,…

Read more

  • 0 Comments
হযরত শীষ (আ:)

নাম ও পরিচয় হজরত শীষ (আ:) হজরত হাবিল এর মৃত্যুর পাঁচ বছর পরে জন্মগ্রহণ করেন। হাবীলের ইন্তেকালের পর হজরত আদম (আ:) ও হজরত হাওয়া (আ:) পুত্র শোকে শোকাহত ও মর্মাহত ছিলেন। আল্লাহতায়ালা তাদের দুঃখ-চিন্তা দূর করার লক্ষ্যে তাদেরকে হজরত শীষ (আ:) এর মতো সুন্দর সন্তান দান করেছেন। শীষ শব্দের অর্থ আল্লাহর দান । যখন তিনি জন্ম লাভ করেন, তখন হজরত জিব্রাইল (আ:) হজরত হাওয়া (আ:) কে বললেন, এই বাচ্চাটি হাবীলের পরিবর্তে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য উপহারস্বরূপ। হজরত শীষ (আ:) এর জন্মের সময় হজরত আদম (আ:) এর বয়স হয়েছিল ২৩৫…

Read more

  • 0 Comments
৭০টি ছোট আমল যাতে রয়েছে বহু ফজিলত

আমল: ১ প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণ – আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহূ এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪ আমল: ২ প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২। আমল: ৩ প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল…

Read more

  • 0 Comments
অন্তর কঠিন হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, মুমিন বান্দা যখন গুনাহ করে তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে যায়। এরপর সে তাওবা করে ক্ষমা চাইলে তার অন্তর পরিষ্কার হয়ে যায় (কালিমুক্ত হয়)। আর যদি গুনাহ বেশি হয় তাহলে কালো দাগও বেশি হয়। অবশেষে তা তার অন্তরকে ঢেকে ফেলে। এটা সেই মরিচা, যার ব্যাপারে কোরআনে আল্লাহ বলেছেন : ‘কখনো নয়, বরং তাদের কৃতকর্ম তাদের অন্তরে জং ধরিয়েছে।’ [(সুরা : মুতাফফিফিন, আয়াত : ১৪) তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৩৪] অন্তর মানবদেহে চালকের আসনে থাকে। তাই পরকালে মানুষের অন্তর জবাবদিহির সম্মুখীন হবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যে…

Read more

  • 0 Comments
জবানের হেফাজতের গুরুত্ব ও ফজিলত

মহান আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে জবান অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। সঠিক কাজে জবান ব্যবহার করা, অন্যায়, অসত্য ও হারাম থেকে জবানকে বিরত রাখা আল্লাহর দিদার লাভের সহজ উপায়। এক কথায় জবানের হেফাজত করা মুমিন জীবনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পবিত্র কুরআনের সুরা মুমিনুনের শুরুতে আল্লাহ তায়ালা খাঁটি মুমিনদের সাতটি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। এরমধ্যে দ্বিতীয় গুণ হচ্ছে, যারা অনর্থক কথাবার্তায় নির্লিপ্ত। আল্লাহ ইরশাদ করেন, হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বলো। তাহলে আল্লাহ তোমাদের কার্যক্রমসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। (সুরা আহজাব : ৭০-৭১) ইসলামের…

Read more

  • 0 Comments
গুজব ছড়ানোর গুনাহ

দুষ্টু লোকেরা সাধারণ মানুষকে নানাভাবে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করে থাকে। সহজ-সরল মানুষের মাঝে মিথ্যা কথা, গুজব রটানো, অলিক কথাবার্তা ও নানা কল্পকাহিনী প্রচার করে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালায়। কোনো বিষয়ে সঠিকভাবে কিছু জানা না থাকলে আন্দাজে তা না বলার জন্য আল্লাহতায়ালা কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। সূরা বনি ইসরাইলে এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে বিষয়ে তোমার নিশ্চিত বিশ্বাস নেই আন্দাজে তা প্রচার করো না। কেননা চোখ, কান ও অন্তর এ সবেরই জবাবদিহিতা করতে হবে।’ বর্ণিত আয়াতের আলোকে ভিত্তিহীন প্রচারণা ও গুজব রটানোর ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা সহজে অনুমান করা যায়। নির্ভরযোগ্য…

Read more

  • 0 Comments
পারস্পরিক সুধারণা ইবাদততুল্য

মানুষের প্রতি সুধারণা পোষণ করা উত্তম ইবাদতের সমতুল্য। কারো প্রতি কখনো খারাপ ধারণা পোষণ করা ঠিক নয়। কুরআন ও হাদিসে মানুষের প্রতি খারাপ বা মন্দ ধারণা পোষণকে গোনাহের কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিক ধারণা পোষণ করা থেকে দূরে থেকো। কারণ, কোনো কোনো ধারণা পাপ। আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয়ে খোঁজ নিও না, একে অন্যের গীবত করো না’ (সূরা হুজরাত, আয়াত-১২)। অযথা কারো প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করে গোনাহগার হওয়া থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। হাদিসে পাকে প্রিয়নবী সা: সে উপদেশই আমাদের দিয়েছেন। রাসূল…

Read more

  • 0 Comments
নফল ইবাদত নাজাতের জন্য যথেষ্ট কি?

নফল ইবাদত যতই ছোট হোক, তা যদি নিয়মিত করা হয় এবং অভ্যাসে পরিণত করা হয়, তখন তার সওয়াব বড় হয়ে যায়। নফল অর্থ অতিরিক্ত। অর্থাৎ তা ফরজ এবং ওয়াজিবের অতিরিক্ত। একে ফরজ ও ওয়াজিবের পরিপূরক হিসাবেও গণ্য করা হয়। নফল ইবাদত বর্জন না করা উচিত। কেননা এটি আল্লাহতায়ালার নৈকট্য লাভের মাধ্যম। নফল ইবাদতের সওয়াব বেশি দরকার হবে কেয়ামতের দিন। যেদিন ফরজ ইবাদতের ত্রুটির কারণে বান্দা আল্লাহর কাঠগড়ায় আটকা পড়বে সেদিন তার নফল ইবাদতগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। চাইলে প্রতিদিন অনেক সহজে এটি করা যায়। যেমন সাধ্যমতো নফল নামাজ পড়া, জিকির…

Read more