• 0 Comments
সিজদায়ে তিলাওয়াত

সিজদায়ে তিলাওয়াত কুরআন মাজীদের হক এবং গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলতপূর্ণ একটি ইবাদত। সিজদার আয়াত পাঠের পর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম কতৃর্ক খুবই গুরুত্বের সাথে সিজদা আদায় করার কথা একাধিক হাদীস শরীফে এসেছে। সহীহ বুখারীর এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. বলেন— নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করতেন। অতঃপর সিজদা করতেন। আমরাও তাঁর সাথে সিজদা করতাম। এতো ভিড় হতো যে, আমাদের মাঝে কেউ কেউ সিজদা করার জন্য কপাল রাখার জায়গা পেত না। —সহীহ বুখারী, হাদীস ১০৭৬ সিজদার ফযীলত সম্পর্কে হযরত আবু হুরায়রা…

Read more

  • 0 Comments
যে সমস্ত উযরের কারণে জামা‘আত তরক করা জায়েয

যে সমস্ত উযরের কারণে জামা‘আত তরক করা জায়েয- (১) প্রবল বৃষ্টি (২) অতিরিক্ত ঠাণ্ডা (৩) হিংস্র জন্তু বা ডাকাতের ভয়-ভীতি (৪) ঘুটঘুটে অন্ধকার (৫) বন্দীত্ব (৬) অন্ধত্ব (৭) পঙ্গুত্ব (৮) হাত পা না থাকা (৯) ভীষণ অসুস্থতা (১০) চলতে অক্ষম হওয়া (১১) রাস্তা কাদাযুক্ত হওয়া (১২) খোড়া হওয়া (১৩) অতিরিক্ত বার্ধক্য (১৪) ফিকহ শাস্ত্রের পাঠ্য আলোচনায় লিপ্ত থাকা (১৫) অতিরিক্ত ক্ষুধার সময় খাদ্য উপস্থিত থাকলে (১৬) সফরের ইচ্ছা করা ও তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া (১৭) রোগীর শুশ্রূষা করা (১৮) প্রচণ্ড বাতাস প্রবাহিত হওয়া। (নূরুল ঈজাহ-৭৯, তাহতাবী-১৬২/১৬৩, তোহফায়ে আবরার-৭৭)

Read more

  • 0 Comments
তারাবির নামাজ

রমজান মাসের রাতে এশার ফরজ ও সুন্নতের পর এবং বিতরের আগে আদায়কৃত ২০ রাকাত বিশিষ্ট একটি বিশেষ সুন্নাত নামাজ, যা প্রতি চার রাকাত পরপর বিরতি নিয়ে পড়া হয়। “তারাবি” শব্দটির অর্থ বিশ্রাম বা প্রশান্তি। এটি কিয়ামুল লাইল বা রাতের ইবাদতের অংশ, যা পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত সহকারে জামাতের সাথে আদায় করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।  তারাবির নামাজের খুঁটিনাটি: সময়: এশার ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত। রাকাত সংখ্যা: অধিকাংশ ফকীহর মতে এটি ২০ রাকাত, তবে ৮ বা ১০ রাকাত পড়ার প্রচলনও রয়েছে। নিয়ম: দুই রাকাত করে মোট ১০…

Read more

  • 0 Comments
জুম্মার নামাজ

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে জোহরের পরিবর্তে জামাতের সাথে আদায়কৃত ২ রাকাত ফরজ নামাজ, যা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের জন্য অবশ্যই পালনীয়। খুতবার পর ইমামের পেছনে এটি আদায় করা হয় এবং এর আগে ৪ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও পরে ৪ রাকাত বা ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ পড়া হয়। এটি মহান আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশিত একটি পবিত্র ইবাদত। জুম্মার নামাজের মূল বিষয়সমূহ: ফরজ অংশ: জুম্মার মূল ফরজ নামাজ ২ রাকাত। সময় ও নিয়ম: খুতবা শোনা ফরজ। খুতবার পর ইমামের পেছনে জামাতে নামাজ আদায় করতে হয়। রাকাত সংখ্যা: ৪ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা (জুম্মার ফরজের পূর্বে)।…

Read more

  • 0 Comments
নামাজ কত প্রকার এবং কী কী

গুরুত্ব বিবেচনায় শরিয়ত নামাজকে একাধিক ভাগে ভাগ করেছে। যেমন- ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও নফল নামাজ। ফরজ : ফরজ নামাজ অবশ্যই পড়তে হবে। না পড়লে গুনাহ হবে। এ নামাজ দুধরনের। যথা- ১. ফরজে আইন। যা প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে ফরজ। ফরজে আইনের অন্তর্ভুক্ত নামাজগুলো হলো- ফজরের নামাজ; জোহরের নামাজ; আসরের নামাজ; মাগরিবের নামাজ; এশার নামাজ ও জুমার নামাজ। ২.ফরজে কিফায়া। যা আদায় করা প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে ফরজ নয়। যেমন- জানাজার নামাজ। ওয়াজিব : যে নামাজের গুরুত্ব ফরজের পরই। কেউ ইচ্ছাকৃত ও নিয়মিত না পড়লে গুনাহ হবে। যেমন- দুই ঈদের নামাজ ও বিতর নামাজ হচ্ছে ওয়াজিব। সুন্নাত : ফরজ নামাজের…

Read more

  • 0 Comments
নফল নামাজ

মূলত মানুষকে সৃষ্টিই করা হয়েছে মহান আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। যে যত বেশি আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হবে, তার প্রাপ্তি ও প্রতিদানও অনুরূপ হবে। তাই আল্লাহর রাসুল (সা.) নিজেও যেমন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি দিন-রাত অনেক নফল নামাজ পড়তেন, তেমনি উম্মতকেও সেসব পালনের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। ফরজের বাইরে নবীজি (সা.) যেসব নামাজ পড়েছেন সেগুলোকে সাধারণত সুন্নত নামাজ বলা হয়। আবার কিছু আছে সেগুলোকে নফল বলে আখ্যায়িত করা হয়। এসব নামাজের জন্য আজান-ইকামতের দরকার পড়ে না। নফল নামাজের প্রকার নফল নামাজ দুই প্রকার- ১. এমন নফল নামাজ যার নির্ধারিত কোনো সময়…

Read more

  • 0 Comments
সিজদায়ে সাহু

‘সিজদায়ে সাহু’ মানে ভুলের সিজদা। নামাজে কোনো ওয়াজিব ভুলক্রমে ছেড়ে দিলে সিজদায়ে সাহু দিতে হয়। তখন সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে নামাজে পূর্ণতা আনা হয়। নামাজে কখন সাহু সিজদা দিতে হয়? ♦  নামাজের কোনো ওয়াজিব আমল কেউ ইচ্ছা করে ছেড়ে দিলে, গুনাহগার হবে এবং নামাজও নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ওই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে। তখন সিজদায়ে সাহুর মাধ্যমে, নামাজ পূর্ণ হবে না। ♦ নামাজের কোনো ওয়াজিব কাজ ভুলক্রমে ছুটে গেলে, সিজদায়ে সাহু দেওয়া ওয়াজিব। (বুখারি, হাদিস: ৩৮৬; আবু দাউদ, হাদিস: ৮৭৪; আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৭৮০৮) ♦…

Read more

  • 0 Comments
নামাযের নিষিদ্ধ সময়

১. সূর্যোদয়ের সময়, যতক্ষণ না তার হলুদ রং ভালোভাবে চলে যায় এবং আলো ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর জন্য আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন হয়। ২. ঠিক দ্বিপ্রহরের সময়, যতক্ষণ না তা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ে। ৩. সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। তবে কেউ যদি ওই দিনের আসরের নামাজ সঠিক সময়ে পড়তে না পারে, তাহলে সূর্যাস্তের আগে হলেও তা পড়ে নিতে হবে। তবে এটি কাজা হিসেবে পড়বে না। ৪. ফজরের নামাজের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। ৫. আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আপনাকে সর্বাবস্থায় সালাত পড়তেই…

Read more

  • 0 Comments
ফরয নামাজ কিভাবে আদায় করতে হয়

পবিত্রতা অর্জ করে নামাজের নিয়্যত করতে হবে। কোন নামাজ পড়ছেন মনে মনে এতটুকু থাকাই নিয়্যতের জন্য যথেষ্ট। তবে তার সাথে মুখে উচ্চারণ করা উত্তম। তারপর ক্বিবলামুখি হয়ে দাড়াতে হবে, দুই পায়ের গুড়ালি বরাবর থাকবে এবং দুই পায়ের মাঝে চার আংগুল পরিমাণ ফাকা থাকবে। তারপর তাকবীরে তাহরীমা অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলে উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাতের আংগুলগুলো সাভাবিক অবস্থায় ক্বিবলা মুখি থাকবে আর উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি উভয় কানের লতি বরাবর থাকবে। তারপর হাত নামিয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বরা হালকা বানিয়ে বাম হাতের কবজি ধরবে…

Read more

  • 0 Comments
সহীহ্ নামাজ শিক্ষা

“সালাত” -এর আভিধানিক অর্থ দোয়া, রহমত, ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থ: ‘শরী‘আত নির্দেশিত ক্রিয়া-পদ্ধতির মাধ্যমে আল্লাহর নিকটে বান্দার ক্ষমা ভিক্ষা ও প্রার্থনা নিবেদনের শ্রেষ্ঠতম ইবাদতকে ‘সালাত’ বলা হয়, যা তাকবীরে তাহরীমা দ্বারা শুরু হয় ও সালাম দ্বারা শেষ হয়’।ইসলামের বিভিন্ন বর্ননা অনুযায়ী মুহাম্মাদ (সা.) ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন এবং অব্যবহিত পরে সূরা মু’মিন-এর ৫৫ নম্বর আয়াত স্রষ্টার পক্ষ থেকে সকাল ও সন্ধ্যায় দৈনিক দুই ওয়াক্ত নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ (আবশ্যিক) হওয়ার নির্দেশনা লাভ করেন। তিনি ৬১৪ খ্রিষ্টাব্দে সকাল, সন্ধ্যা ও দুপুরে দৈনিক তিন ওয়াক্ত নামাজের আদেশ লাভ…

Read more