• 0 Comments
রমজানের একটি আদর্শ দৈনিক রুটিন

সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, ফজর ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ সময়মতো আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, ইফতারের পূর্বে দোয়া, এবং তারাবিহ ও রাতের ইবাদতের মাধ্যমে সময় কাটানো উচিত। কাজের মাঝে জিকির ও আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন। রমজানের আদর্শ দৈনিক রুটিন: ভোর (সেহরি ও ইবাদত): শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ ও কুরআন তিলাওয়াত করুন। সুস্থ থাকতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ে সেহরি গ্রহণ করুন। সেহরির পর ফজর নামাজ আদায় করে সকালের আজকার করুন। সকাল ও কর্মব্যস্ত সময়: কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে দিন শুরু করুন। কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিন, কাজের মাঝে…

Read more

  • 0 Comments
রমাযানুল মুবারক এর ফযিলত ও বৈশিষ্ট্য

আল্লাহ তাআলা এই পবিত্র মাসকে যেসব গুণ ও মর্যাদা দ্বারা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছেন, যত রহমত, বরকত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা একে মহিমান্বিত করেছেন, এ মাসের নেক আমলগুলোর যত সওয়াব ও প্রতিদান নির্ধারিত করেছেন তার হিসাব-নিকাশ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তবুও কুরআন মজীদের বিভিন্ন আয়াতে এবং হাদীস শরীফের বিস্তৃত বর্ণনায় যে গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে, তার কিছু দৃষ্টান্ত এখানে উল্লেখ করার চেষ্টা করব। আল্লাহ তাআলা সবাইকে উপকৃত করুন। আমীন।  ১. সিয়াম ও কিয়ামের মাস মুসলিম উম্মাহর নিকট রমাযান মাসের আগমন ঘটে প্রধানত রোযা ও তারাবীহ’র বার্তা নিয়ে। এটি রমাযান মাসের…

Read more

  • 0 Comments
আশুরার রোজা

মুহাররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা আরবি সনের প্রথম মাস মুহাররম। মুহাররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা। এই দিন বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। পাপ মুক্তি ও ক্ষমার বার্তা নিয়ে আসে আশুরা।  আশুরার রোজায় রয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে এই রোজার ওসিলায় আল্লাহ তাআলা রোজাদারের বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-১১৬২) মহররম মাসের ১০ তারিখ ‘আশুরা’ উপলক্ষে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রোজা রেখেছেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখতে বলেছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি…

Read more

  • 0 Comments
নবীদের রোজা পালন

মানুষের হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী রাসুল এসেছেন পৃথিবীতে। মানুষকে আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার সব পথ ও পদ্ধতি বাতলে দিয়ে উম্মতকে চির শান্তির নিবাস জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে নবীরা ছিলেন বার্তাবাহক। আল্লাহর কাছে প্রিয় হওয়ার কিছু আমল আছে। যা যুগে যুগে চলমান ছিল। সেসব গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে রোজা একটি। রোজা প্রত্যেক যুগেই ছিল। প্রত্যেক নবীর শরিয়তে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে রোজা পালিত হত। আদি পিতা আদম (আ.) এর যুগে রোজা সৃষ্টি জীবের মধ্যে সর্ব প্রথম রোজা রাখেন হযরত আদম আ.। আদি পিতা আদম (আ.) ও তার সন্তানরাও ৩০ রোজা রাখতেন। হাদিসের…

Read more

  • 0 Comments
রমজানের রোজা না রাখার ভয়াবহ শাস্তি

রোজা ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। পূর্ববর্তী উম্মতের ওপরও রোজা ফরজ ছিল। রোজার সুফল হলো এর মাধ্যমে তাকওয়া বা আল্লাহভীতি লাভ হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যেন তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩) রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ছাড়া রোজা ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ। কেননা আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী কোরআন অবতীর্ণ…

Read more

  • 0 Comments
বছরের বিভিন্ন সময়ে রোজা রাখার বিধান

রমজান মাস এবং ফরজ রোজা শেষ হলেও বছরজুড়ে বিভিন্ন রোজা রয়েছে। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সেসব রোজার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বছরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রোজার বিবরণ নিম্নরূপ— এক দিন পর পর রোজা এক দিন পর পর রোজা রাখাকে সওমে দাউদ বলে। দাউদ (আ.) এভাবে রোজা রাখতেন। নবী (সা.) এটিক সর্বোত্তম রোজা বলেছেন এবং বেশি রোজা রাখতে আগ্রহীদের এভাবে রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) আমাকে বলেন, তুমি কি সব সময় রোজা রাখো আর রাতভর নামাজ আদায় করে থাকো? আমি বললাম,…

Read more

  • 0 Comments
রোজা নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

১. খাওয়া দাওয়ার উপর অধিক মনোযোগ রমজানে দেখা যায় মানুষ রোজার থেকে খাওয়া দাওয়া নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে যায়। যদিও একজন মানুষের  জন্য এত অধিক খাবারের প্রয়োজন নেই তারপরও ইফতার আয়োজনে অযথা টাকা খরচ করে। ২. ফজরের অনেক আগেই সেহরি খাওয়া তারাবি কিংবা এশার নামাজের কয়েক ঘন্টা পরই সেহরি খাওয়া ঠিক নয়। ফজরের কাছাকাছি সময়ে সেহরি খাওয়া উচিত। ৩. নিয়াত না করা আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা রমজানে রোজা রাখার সময় রোজা সম্পর্কে কোন প্রকার নিয়ত করা ছাড়াই অর্থাৎ রোজার পালন সম্পর্কে কোন প্রকার লক্ষ্য নির্ধারণ ছাড়াই রোজা পালন করেন।…

Read more

  • 0 Comments
রমজানে ক্ষুধা ও অবসাদ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রমজানে আমরা সাধারণত দুটি কারণে শারীরিকভাবে কষ্ট অনুভব করে থাকি। প্রথমটি হচ্ছে ক্ষুধা, আর দ্বিতীয়টি অবসাদ। সাধারণত পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে পুরো রমজানজুড়ে অনেকে দিনের বেলা ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগেন। তা ছাড়া স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণে ব্যত্যয় ঘটলেও ক্ষুধার অনুভূতি বেড়ে যায়। তবে রমজানে পরিমিত পরিমাণে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। সে সময় ধৈর্যধারণ করে আল্লাহর কাছে এর জন্য পুরস্কারের দোয়া করা উচিত।  আমাদের নবীজিকেও (সা.) অনেক সময় প্রচণ্ড ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে হয়েছে। তবে সে সময় তিনি ধৈর্য হারা হননি, কারও কাছে এ বিষয়ে অভিযোগও করেননি। বুখারির বর্ণনায় এসেছে, সাহাবি জাবির (রা.) বলেন, ‘খন্দকের যুদ্ধে পরিখা…

Read more

  • 0 Comments
শাওয়ালের ৬ রোজা

শাওয়ালের রোজা রাখা ফরজ না, এটি মোস্তাহাব এবং একটি নফল ইবাদত। তবে এতে রয়েছে অসংখ্য অগণিত সওয়াব। হাদিসে প্রিয় নবী সা. শাওয়াল মাসের প্রথম দিকে, মধ্যভাগে বা শেষাংশে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখার কথা বলেননি। আবার রোজা ছয়টি লাগাতার রাখার নির্দেশনাও হাদিসে দেখা যাচ্ছে না। তাই বিজ্ঞ ফিকহবিদ ও আলিমগণের অভিমত হলো শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয়দিনে রোজা রাখলেই উল্লিখিত সওয়াব লাভ করা যাবে। হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এই রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদের রাখার নির্দেশ দিতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা রমজানে…

Read more