• 0 Comments
যে সমস্ত উযরের কারণে জামা‘আত তরক করা জায়েয

যে সমস্ত উযরের কারণে জামা‘আত তরক করা জায়েয- (১) প্রবল বৃষ্টি (২) অতিরিক্ত ঠাণ্ডা (৩) হিংস্র জন্তু বা ডাকাতের ভয়-ভীতি (৪) ঘুটঘুটে অন্ধকার (৫) বন্দীত্ব (৬) অন্ধত্ব (৭) পঙ্গুত্ব (৮) হাত পা না থাকা (৯) ভীষণ অসুস্থতা (১০) চলতে অক্ষম হওয়া (১১) রাস্তা কাদাযুক্ত হওয়া (১২) খোড়া হওয়া (১৩) অতিরিক্ত বার্ধক্য (১৪) ফিকহ শাস্ত্রের পাঠ্য আলোচনায় লিপ্ত থাকা (১৫) অতিরিক্ত ক্ষুধার সময় খাদ্য উপস্থিত থাকলে (১৬) সফরের ইচ্ছা করা ও তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া (১৭) রোগীর শুশ্রূষা করা (১৮) প্রচণ্ড বাতাস প্রবাহিত হওয়া। (নূরুল ঈজাহ-৭৯, তাহতাবী-১৬২/১৬৩, তোহফায়ে আবরার-৭৭)

Read more

  • 0 Comments
মিসওয়াকের ৭০টি ফায়দা ও উপকারিতা

মিসওয়াকের ৭০টি ফায়দা ও উপকারিতা ১. আল্লাহ তা’আলা সন্তুষ্ট হন। ২. ফেরেশতারা খুশি হন। ৩. ফেরেশতারা তার সাথে মোসাফাহা করেন। ৪. ফেরেশতারা তার প্রশংসা করেন। ৫. নামায পড়তে বের হলে ফেরেশতারা তাকে অভ্যর্থনা জানায়। ৬. মসজিদ থেকে বের হলে ফেরেশতারা তার পিছনে পিছনে চলেন। ৭. আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমার দু’আ করেন, যখন সে মসজিদে থেকে বের হয়। ৮. ফেরেশতারা তাকে নবী রসুলগণের অনুসারী বলেন। ৯. নবী রসুলগণ তার জন্য মাগফিরাতের দু’আ করেন। ১০. শয়তান অসন্তুষ্ট হয়। ১১. শয়তান বিতারিত হয়। ১২. প্রয়োজন মিটাতে সাহায্য করে। ১৩. হযরত আলি…

Read more

  • 0 Comments
রোজা ও সামাজিক ন্যায়বিচার

রোজার ফরজ হওয়া আল্লাহ তাআলা আল-কুরআন-এ ঘোষণা করেন— “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর—যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩) রোজার মূল লক্ষ্য হলো তাকওয়া—আল্লাহভীতি ও আত্মসংযম। আর তাকওয়া মানুষকে ন্যায়পরায়ণ করে তোলে। রোজা ও ন্যায়বিচার আল্লাহ বলেন— “নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও সৎকর্মের আদেশ দেন…” (সূরা আন-নাহল: ৯০) রোজা আমাদের শেখায়— ক্ষুধার কষ্ট অনুভব করতে গরিবের দুঃখ বুঝতে ধৈর্য ধারণ করতে অন্যের অধিকার রক্ষা করতে যে ব্যক্তি নিজে ক্ষুধার কষ্ট অনুভব করে, সে কখনও অভাবীর অধিকার হরণ করতে পারে…

Read more

  • 0 Comments
যাকাত ও সদাকাতুল ফিতর – ইসলামের সামাজিক ন্যায়বিচার ও পবিত্রতার ব্যবস্থা

যাকাতের গুরুত্ব যাকাত ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। আল-কুরআন-এ আল্লাহ তাআলা বলেন— “তোমরা সালাত কায়েম কর এবং যাকাত প্রদান কর।” (সূরা আল-বাকারা: ৪৩) আরও বলেন— “তাদের সম্পদ থেকে সদকা গ্রহণ কর, যাতে তুমি তাদেরকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করতে পারো।”  (সূরা আত-তাওবা: ১০৩) এ থেকে বুঝা যায়, যাকাত সম্পদকে পবিত্র করে এবং আত্মাকে কৃপণতা থেকে মুক্ত রাখে।  যাকাত না দেওয়ার ভয়াবহ পরিণাম আল-কুরআন-এ আল্লাহ বলেন— “যারা স্বর্ণ-রৌপ্য সঞ্চয় করে রাখে এবং আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদেরকে কঠিন শাস্তির সুসংবাদ দাও।” (সূরা আত-তাওবা: ৩৪-৩৫)  হাদীসে যাকাত মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন— “ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে…

Read more

  • 0 Comments
রমজানে কুরআন তিলাওয়াত ও খতমের গুরুত্ব

 রমজান: কুরআনের মাস আল্লাহ তাআলা বলেন: “রমজান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে—মানবজাতির জন্য হিদায়াতস্বরূপ…” — আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা ২:১৮৫ এই আয়াত প্রমাণ করে—রমজানের বিশেষ মর্যাদার কারণ হলো কুরআন নাযিল। কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত রাসূল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি অক্ষর পাঠ করে, তার জন্য একটি নেকি; আর একটি নেকি দশ গুণ বৃদ্ধি করা হয়।” — সুনান আত-তিরমিজি রমজানে নেকির পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই এ মাসে কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াবও অসীম। রাসূল ﷺ–এর আমল হাদীসে এসেছে: “জিবরীল (আ.) প্রতি রমজানে নবী ﷺ–এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁর সাথে কুরআন…

Read more

  • 0 Comments
ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে তাকওয়ার প্রভাব

তাকওয়া কী? তাকওয়া শব্দের অর্থ—আল্লাহভীতি, আল্লাহর আদেশ পালন এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকা। এটি অন্তরের এমন একটি গুণ, যা মানুষকে সর্বদা সচেতন রাখে যে আল্লাহ তাকে দেখছেন। আল্লাহ বলেন: “হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো (তাকওয়া অবলম্বন করো), যেমনভাবে তাঁকে ভয় করা উচিত।” — আল-কুরআন, সূরা আলে ইমরান ৩:১০২ আরেক আয়াতে আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অধিক মর্যাদাবান, যে অধিক তাকওয়াবান।” — আল-কুরআন, সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১৩ এ আয়াত প্রমাণ করে—মানুষের মর্যাদা বংশ বা সম্পদে নয়; তাকওয়ায়। ব্যক্তিগত জীবনে তাকওয়ার প্রভাব ১. গুনাহ থেকে বিরত রাখে ২.…

Read more

  • 0 Comments
রোজার শর্ত, রুকন ও ভঙ্গের কারণ

রোজা সঠিকভাবে পালনের জন্য এর শর্ত (শরায়েত), রুকন (মূল স্তম্ভ) এবং ভঙ্গের কারণ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোজার শর্ত (শরায়েত) শর্ত বলতে সেই বিষয়গুলো বোঝায়, যেগুলো ছাড়া রোজা সহিহ হবে না বা ফরজ হবে না। (ক) মুসলিম হওয়া রোজা ইসলামের ফরজ বিধান। অমুসলিমের উপর এটি প্রযোজ্য নয়। আল্লাহ বলেন: “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে…” — আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩ এখানে সম্বোধন করা হয়েছে “হে ঈমানদারগণ”—অর্থাৎ মুসলিমদের। (খ) প্রাপ্তবয়স্ক ও বিবেকবান হওয়া শিশু ও পাগলের উপর রোজা ফরজ নয়। রাসূল ﷺ বলেছেন: “তিন ব্যক্তি থেকে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে:…

Read more

  • 0 Comments
কেন রমজানকে “শাহরুল কুরআন” বলা হয়

রমজান মাস ইসলামের দৃষ্টিতে এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ মাস। একে “শাহরুল কুরআন” বলা হয়—অর্থাৎ কুরআনের মাস। এর মূল ভিত্তি কুরআনের ঘোষণায় প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন: “রমজান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে—মানবজাতির জন্য হিদায়াতস্বরূপ, সুস্পষ্ট প্রমাণ ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।” — আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা ২:১৮৫ এই আয়াত থেকেই বোঝা যায়—রমজানের সর্বোচ্চ মর্যাদার কারণ হলো এই মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে। ১. কুরআনের নাযিলের সূচনা রমজানের এক মহিমান্বিত রাতে, লাইলাতুল কদরে, কুরআন নাযিল শুরু হয়। আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই আমি একে কদরের রাতে নাযিল করেছি।” — আল-কুরআন, সূরা আল-কদর ৯৭:১ “নিশ্চয়ই আমি একে এক…

Read more

  • 0 Comments
রোজা: আত্মসংযম ও তাকওয়ার প্রশিক্ষণ

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো সাওম বা রোজা। আল্লাহ তাআলা রোজার উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: “…যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”  — আল-কুরআন (২:১৮৩) ১. রোজা ও আত্মসংযম রোজা মানুষের মৌলিক প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য-পানীয় ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা—নফসের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে… আর যে পারে না, সে যেন রোজা রাখে; কারণ রোজা তার জন্য সংযম।” — সহিহ বুখারি এ হাদীস প্রমাণ করে—রোজা প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর মাধ্যম। ২. রোজা…

Read more

  • 0 Comments
রমজানের একটি আদর্শ দৈনিক রুটিন

সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, ফজর ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ সময়মতো আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, ইফতারের পূর্বে দোয়া, এবং তারাবিহ ও রাতের ইবাদতের মাধ্যমে সময় কাটানো উচিত। কাজের মাঝে জিকির ও আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন। রমজানের আদর্শ দৈনিক রুটিন: ভোর (সেহরি ও ইবাদত): শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে তাহাজ্জুদ ও কুরআন তিলাওয়াত করুন। সুস্থ থাকতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ে সেহরি গ্রহণ করুন। সেহরির পর ফজর নামাজ আদায় করে সকালের আজকার করুন। সকাল ও কর্মব্যস্ত সময়: কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে দিন শুরু করুন। কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিন, কাজের মাঝে…

Read more